লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন: সেতুমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী করোনার টিকা দেশে আসতে শুরু করেছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইতোমধ্যেই ৪৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছেছে, আরো টিকা কয়েকদিনের মধ্যে আসবে।’জনগণকে টিকাগ্রহণের পাশাপাশি সংক্রমণের উচ্চহার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং চলমান লকডাউনে জনগণকে নিজ ঘরে অবস্থানের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।’বিএনপির কাজ হলো সরকার ও দেশের অর্জনকে বিতর্কিত করা। ব্যর্থতার দায় অন্যের ওপর চাপাতে তাঁদের জুড়ি নেই। করোনার শুরু থেকে নানা অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করেছে বিএনপি, এখনো করছে।’আজ শনিবার (৩ জুলাই) নিজের সরকারী বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।ওবায়দুল কাদের বলেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী করোনার টিকা দেশে আসতে শুরু করেছে ‘ইতোমধ্যেই ৪৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছেছে, আরো টিকা কয়েকদিনের মধ্যে আসবে।’জনগণকে টিকাগ্রহণের পাশাপাশি সংক্রমণের উচ্চহার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং চলমান লকডাউনে জনগণকে নিজ ঘরে অবস্থানের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।বিএনপি নেতাদের আন্দোলনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনা মহামারীর এ প্রেক্ষাপটে মানুষের সুরক্ষা যখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তখন বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে, তাঁরা জনগণের মনের ভাষা ও মাঠের পরিস্থিতি বুঝার অক্ষমতায় ক্রমশ মানুষের প্রত্যাশা থেকে ছিটকে পড়ছে।’বিএনপির কাজ হলো সরকার এবং দেশের কোন অর্জনকে বিতর্কিত করা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যর্থতার দায় অন্যের ওপর চাপাতে তাদের জুড়ি নেই, করোনার শুরু থেকে নানা অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে বিএনপি, এখনো করছে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি যত অপপ্রচারই করুক জনগণ সুবিবেচক, তারা বিভ্রান্ত সহজে হয় না।’খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপিতে কোনো সংকট নেই- দলের নেতাদের এমন দাবির জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে ঘটা করে সংকট নেই বলার মাঝেই মনে হচ্ছে- ডাল মে কুচ কালা হ্যায়।’ক্ষমতায় থাকাকালীন জনগণের অধিকার হরণ করাই ছিল বিএনপির রাজনীতি উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘ অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার রাজনীতি।’আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মানুষের দুঃখ-কষ্ট এবং অসহায় খেটে খাওয়া মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে আন্দোলনের ভাবনা বিএনপির জনবিচ্ছিন্ন ও অদূরদর্শী রাজনৈতিক ভাবনা বলেই জনগণ মনে করে।’ ভরা বর্ষায় বিএনপির এসব হাঁক-ডাক করোনায় মানুষের পাশে না দাঁড়ানোর ব্যর্থতা আড়াল করার অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।’বিএনপি নিজেরাই ষড়যন্ত্রকারী বলে সর্বত্রই ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে পায়। দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে এক-এগারো ঘটানোর যে রঙিন খোয়াব বিএনপি দেখছে, তা দুঃস্বপ্ন মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘উল্টো এখন বিএনপির সর্বপর্যায়ের নেতারা আওয়ামী লীগে যোগদানের জন্য তলে তলে যোগাযোগ করছে।’দেশে এক-এগারোর ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে বলে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ষড়যন্ত্র যদি কেউ করে, তাহলে তা বিএনপিই করছে।’বিএনপির একগুঁয়েমি এবং সোয়া এক কোটির বেশি ভুয়া ভোটার সৃষ্টি করে দলীয় লোক বিচারপতি আজিজকে দিয়ে নির্বাচনের নামে প্রহসনের অপচেষ্টা এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কাজ বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে যেমনি তারা (বিএনপি) নানা অগণতান্ত্রিক পথ খুঁজে বেড়িয়েছিল, তেমনি হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে বিএনপি এখনো মরিয়া হয়ে অন্ধকারের অলি-গলি পথে হাঁটছে।’

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

এইচ এম সোহেল॥ আবারো বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে পাথরবোঝাই ট্রাকের ভারে ভেঙ্গে পড়েছে মাধবপাশার বেইলি ব্রিজ। পাথর বোঝাই ট্রাকটি ব্রিজ পারাপররের সময় ব্রিজের মাঝামাঝি আসার পরে ব্রিজটি ভেঙ্গে ট্রাকটি খালের ভিতরে পড়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পরে দুই পারের হাজারো গাড়ি এবং যাত্রী। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৭ টার দিকে। বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে এই বেইল ব্রিজটি খালে ভেঙ্গে পড়ে। পাথরবোঝাই একটি ট্রাকটি পিরোজপুর থেকে বানারীপাড়া আসার পথে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এর আগে ২০২০ সালেও পাথরবোঝাই ট্রাকের ভারে ভেঙ্গে পড়েছিলো বেইলি ব্রিজটি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের সংস্কারের কাজ শুরু করেছিলো। ওই সময় সড়কের পাশে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে বেইলি ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বরিশাল মেট্রোপলিটনের বিমান বন্দর থানার এ এস আই সুমন দেশ জনপদকে জানান, আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে আশি। বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় বরিশালের সঙ্গে নেসারাবাদ ও বানারীপাড়ার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে । এতে স্থানীয় জনসাধারণ ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ সৃস্টি হয়েছ। ট্রাক উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এই ব্রিজটি বছর দেড়েক আগে আরও একবার ভেঙ্গে পড়েছিল। দুর্ঘটনায় স্থানীয়রা ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত ব্রিজটি সচল করার দাবি জানান তিনি।