কাবুলের সুরবি জেলার ৭০ গ্রাম তালেবানের দখলে

অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তানের কাবুল প্রদেশের সুরবি জেলার ৭০ গ্রাম দখলে নিয়েছে তালেবান।

বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান স্থানীয় কর্মকর্তারা। খবর তোলো নিউজের।

খবরে বলা হয়, কাবুল প্রদেশের সুরবি জেলার ১৩০ গ্রামের মধ্যে ৭০টি ইতোমধ্যে তালেবান যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

কাবুলের গভর্নর মুহাম্মদ ইয়াকুব বলেন, তালেবান মিলিশিয়ারা সুরবি জেলায় পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তৈয়্যবা এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর সহযোগিতায় যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

তালেবানের সদস্যরা সুরবি বাজারে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সুরবি জেলার বাসিন্দারা।

সুরবি ছাড়াও কাবুল প্রদেশের আরও চার জেলা তালেবানের হামলার হুমকির মধ্যে রয়েছে বলে জানান প্রদেশের গভর্নর।

তবে তালেবানকে খুব বেশি অগ্রসর হতে দেবে না নিরাপত্তা বাহিনী এমন আশা গভর্নরের।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তালেবানকে খুব বেশি অগ্রসর হতে দেবে না।

সুরবি জেলায় একটি রেস্তোরাঁর মালিক জাহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, এখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

সুরবি জেলার গভর্নর বলেন, তালেবান জগদলক জেলায় রুবি খনিগুলো দখলের চেষ্টা করছে। তবে তারা যেন এর দখল নিতে না পারে আমরা সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, কাবুল প্রদেশে ১৪ জেলা রয়েছে। এর মধ্যে হুমকির মধ্যে রয়েছে পাঁচ জেলা।

যুক্তরাষ্ট্র ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা বাস্তবায়নের প্রায় শেষ দিকে রয়েছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আফগানিস্তান থেকে দেশটি ‘৯০ শতাংশের বেশি’ সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়ার মধ্যে আফগানিস্তানের ৩৪ প্রদেশের প্রায় ২০০ জেলা দখলে নেওয়ার দাবি করেছে তালেবান। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের সংঘর্ষ চলছে প্রতিদিন।

যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালে আফগানিস্তানে আগ্রাসন শুরু করে। দুই দশকের এই যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুই হাজার তিনশর বেশি সদস্য প্রাণ হারান। আহত হন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর হাজার হাজার সেনা। পাশাপাশি অগনতি আফগান নাগরিক যুদ্ধের শিকারে পরিণত হয়। এই যুদ্ধের জন্য খরচ করা হয় দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

এইচ এম সোহেল॥ আবারো বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে পাথরবোঝাই ট্রাকের ভারে ভেঙ্গে পড়েছে মাধবপাশার বেইলি ব্রিজ। পাথর বোঝাই ট্রাকটি ব্রিজ পারাপররের সময় ব্রিজের মাঝামাঝি আসার পরে ব্রিজটি ভেঙ্গে ট্রাকটি খালের ভিতরে পড়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পরে দুই পারের হাজারো গাড়ি এবং যাত্রী। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৭ টার দিকে। বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে এই বেইল ব্রিজটি খালে ভেঙ্গে পড়ে। পাথরবোঝাই একটি ট্রাকটি পিরোজপুর থেকে বানারীপাড়া আসার পথে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এর আগে ২০২০ সালেও পাথরবোঝাই ট্রাকের ভারে ভেঙ্গে পড়েছিলো বেইলি ব্রিজটি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের সংস্কারের কাজ শুরু করেছিলো। ওই সময় সড়কের পাশে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে বেইলি ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বরিশাল মেট্রোপলিটনের বিমান বন্দর থানার এ এস আই সুমন দেশ জনপদকে জানান, আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে আশি। বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় বরিশালের সঙ্গে নেসারাবাদ ও বানারীপাড়ার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে । এতে স্থানীয় জনসাধারণ ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ সৃস্টি হয়েছ। ট্রাক উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এই ব্রিজটি বছর দেড়েক আগে আরও একবার ভেঙ্গে পড়েছিল। দুর্ঘটনায় স্থানীয়রা ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত ব্রিজটি সচল করার দাবি জানান তিনি।