পুরো দেশ মেতেছে আনন্দে। ভেসেছে উচ্ছ্বাসে। দুদিন ধরে করছে উপভোগও। অঘটন আর ঘটনা মিলিয়ে কয়েকদিন রয়েছে আলোচনাতেও। বলছি বাঙাালির সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর কথা। ২৫ দেশের মানুষের মেধা কাজ করেছে এই সেতু নির্মাণে।
নির্মাণযজ্ঞে কাজ করা হাজারো নামের ভীড়ে রয়েছে একজন বাঙালি নারী ইঞ্জিনিয়ারও। তিনি প্রকৌশলী ইশরাত জাহান। তার নামটি লেখা থাকবে অনন্য নজির হিসেবে। কারণ, একমাত্র বাঙালি নারী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন এই প্রকল্পে।
২০১৫ সালে পদ্মা সেতুর ঠিকাদার চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনে যোগ দেন ইশরাত জাহান। তখন তার বয়স মাত্র ২০ বছর। দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাস করা ইশরাত সেতুর প্রতিটি পাইলিং পাইপের মেজারমেন্ট করেছেন।
চীনের বিশাল বিশাল ইস্পাতের পাতগুলো ১ হাজার ৫০০ টন ক্ষমতার বেন্ডিং মেশিনে মুড়িয়ে সিলিন্ডার বানানো হয়। ছোট ছোট সিলিন্ডার আগুনের তাপে জোড়া লাগিয়ে পাইলিং পাইপ তৈরি করা হয়।
ইশরাত জাহান স্বপ্নেও ভাবেননি, পদ্মা সেতুর মতো বিশাল প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পাবেন। একমাত্র নারী বাঙালি কর্মী; তার ওপর পরিবার-পরিজন ছেড়ে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের ডরমিটরির সেই দিনগুলো তাঁকে খুবই আবেগতাড়িত করে।
কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর প্রতিটি পাইলিং পাইপের মেজারমেন্ট আমার হাতে করা। এক মিলিমিটার এদিক-সেদিক হয়নি। প্রতিটি সিলিন্ডার সঠিক মাপে তৈরি করেছি।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পে আমার সঙ্গে আরও তিন চীনা নারীকর্মী থাকলেও তারা বাংলা কিংবা ইংরেজি বুঝতেন না। এজন্য দীর্ঘদিন একই ডরমিটরিতে থেকে কাজ করলেও ইয়েস, নো এবং ভেরি গুড ছাড়া কোনো আলাপ হয়নি।
পদ্মা সেতুতে কাজ করা একমাত্র বাঙালি নারী ইঞ্জিনিয়ার
পুরো দেশ মেতেছে আনন্দে। ভেসেছে উচ্ছ্বাসে। দুদিন ধরে করছে উপভোগও। অঘটন আর ঘটনা মিলিয়ে কয়েকদিন রয়েছে আলোচনাতেও। বলছি বাঙাালির সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর কথা। ২৫ দেশের মানুষের মেধা কাজ করেছে এই সেতু নির্মাণে।
নির্মাণযজ্ঞে কাজ করা হাজারো নামের ভীড়ে রয়েছে একজন বাঙালি নারী ইঞ্জিনিয়ারও। তিনি প্রকৌশলী ইশরাত জাহান। তার নামটি লেখা থাকবে অনন্য নজির হিসেবে। কারণ, একমাত্র বাঙালি নারী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন এই প্রকল্পে।
২০১৫ সালে পদ্মা সেতুর ঠিকাদার চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনে যোগ দেন ইশরাত জাহান। তখন তার বয়স মাত্র ২০ বছর। দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাস করা ইশরাত সেতুর প্রতিটি পাইলিং পাইপের মেজারমেন্ট করেছেন।
চীনের বিশাল বিশাল ইস্পাতের পাতগুলো ১ হাজার ৫০০ টন ক্ষমতার বেন্ডিং মেশিনে মুড়িয়ে সিলিন্ডার বানানো হয়। ছোট ছোট সিলিন্ডার আগুনের তাপে জোড়া লাগিয়ে পাইলিং পাইপ তৈরি করা হয়।
ইশরাত জাহান স্বপ্নেও ভাবেননি, পদ্মা সেতুর মতো বিশাল প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পাবেন। একমাত্র নারী বাঙালি কর্মী; তার ওপর পরিবার-পরিজন ছেড়ে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের ডরমিটরির সেই দিনগুলো তাঁকে খুবই আবেগতাড়িত করে।
কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর প্রতিটি পাইলিং পাইপের মেজারমেন্ট আমার হাতে করা। এক মিলিমিটার এদিক-সেদিক হয়নি। প্রতিটি সিলিন্ডার সঠিক মাপে তৈরি করেছি।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পে আমার সঙ্গে আরও তিন চীনা নারীকর্মী থাকলেও তারা বাংলা কিংবা ইংরেজি বুঝতেন না। এজন্য দীর্ঘদিন একই ডরমিটরিতে থেকে কাজ করলেও ইয়েস, নো এবং ভেরি গুড ছাড়া কোনো আলাপ হয়নি।
সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান
প্রকাশক সৈয়দ মনিরুজ্জামান ফয়সাল |
হেড অফিসঃ
বাসা নং- ২৪, রোড নং-০৪, ব্লক নং-এইচ
বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯ |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 12:52 pm