‘নাটকের শুটিং সেট এখন কি ডলার কামানোর জায়গা হয়ে যাচ্ছে?’- এমনই প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেতা নিলয় আলমগীর। সম্প্রতি শুটিংয়ের পর্দার পেছনের ভিডিও ফাঁস নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা।
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে নিলয় লেখেন, ‘প্রযোজক বা চ্যানেল মালিক নাটকে টাকা বিনিয়োগ করেন। ইউটিউব, টিভি বা ব্র্যান্ডিং থেকে সেই টাকা তোলার চেষ্টা করেন। অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, প্রডাকশন টিমসহ সবার পারিশ্রমিকও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও অনেকে সেটে শুটিং চলাকালীন বিটিএস (বিহাইন্ড দ্য সিন) ভিডিও ফেসবুক বা ইউটিউবে পোস্ট করে ডলার কামানোর চেষ্টা করেন।’
অভিনেতা প্রশ্ন তোলেন, ‘এটা কতটা নৈতিক? কেউ কেউ বলে, প্রমোশন করছি। কিন্তু প্রমোশন করলে সেটা প্রযোজকের অনুমতি নিয়েই করা উচিত। কারণ, প্রযোজকই জানেন কোন প্রচার তার নাটকের জন্য লাভজনক।’
নিলয়ের দাবি, অনেক সময় শুটিং ইউনিটেরই কিছু সদস্য গোপনে ইউটিউব চ্যানেল খুলে এই বিটিএস ভিডিও আপলোড করেন। এমনকি কিছু সহকারী পরিচালক বা সহকারী ক্যামেরাম্যানও এই কাজে জড়িত থাকতে পারেন।
নিলয় বলেন, ‘তারা নিজেরা শুটিং সেট থেকে বিটিএস কালেক্ট করতে না পারলে আর্টিস্টদের আইডি বা পেজ থেকে বিটিএস কালেক্ট করে তাদের সিক্রেট চ্যানেলে দিচ্ছে। যে যেটাই করছে তাতে ক্ষতি হচ্ছে প্রযোজকের। এখন কোন প্রযোজক যদি আইনি পদক্ষেপ নেয় তাহলে বিপদে পড়বে কারা?’
এটা কি ডলার কামানোর জায়গা— ভিডিও ফাঁস নিয়ে ক্ষুব্ধ নিলয় আলমগীর
‘নাটকের শুটিং সেট এখন কি ডলার কামানোর জায়গা হয়ে যাচ্ছে?’- এমনই প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেতা নিলয় আলমগীর। সম্প্রতি শুটিংয়ের পর্দার পেছনের ভিডিও ফাঁস নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা।
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে নিলয় লেখেন, ‘প্রযোজক বা চ্যানেল মালিক নাটকে টাকা বিনিয়োগ করেন। ইউটিউব, টিভি বা ব্র্যান্ডিং থেকে সেই টাকা তোলার চেষ্টা করেন। অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, প্রডাকশন টিমসহ সবার পারিশ্রমিকও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও অনেকে সেটে শুটিং চলাকালীন বিটিএস (বিহাইন্ড দ্য সিন) ভিডিও ফেসবুক বা ইউটিউবে পোস্ট করে ডলার কামানোর চেষ্টা করেন।’
অভিনেতা প্রশ্ন তোলেন, ‘এটা কতটা নৈতিক? কেউ কেউ বলে, প্রমোশন করছি। কিন্তু প্রমোশন করলে সেটা প্রযোজকের অনুমতি নিয়েই করা উচিত। কারণ, প্রযোজকই জানেন কোন প্রচার তার নাটকের জন্য লাভজনক।’
নিলয়ের দাবি, অনেক সময় শুটিং ইউনিটেরই কিছু সদস্য গোপনে ইউটিউব চ্যানেল খুলে এই বিটিএস ভিডিও আপলোড করেন। এমনকি কিছু সহকারী পরিচালক বা সহকারী ক্যামেরাম্যানও এই কাজে জড়িত থাকতে পারেন।
নিলয় বলেন, ‘তারা নিজেরা শুটিং সেট থেকে বিটিএস কালেক্ট করতে না পারলে আর্টিস্টদের আইডি বা পেজ থেকে বিটিএস কালেক্ট করে তাদের সিক্রেট চ্যানেলে দিচ্ছে। যে যেটাই করছে তাতে ক্ষতি হচ্ছে প্রযোজকের। এখন কোন প্রযোজক যদি আইনি পদক্ষেপ নেয় তাহলে বিপদে পড়বে কারা?’
সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান
প্রকাশক সৈয়দ মনিরুজ্জামান ফয়সাল |
হেড অফিসঃ
বাসা নং- ২৪, রোড নং-০৪, ব্লক নং-এইচ
বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯ |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 7:45 am