ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাৎ ও শিডিউল ফাঁসানোর অভিযোগ এনেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই স্টুডিওস লিমিটেড (আলফা আই)।
প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৪টি নাটকের জন্য ৫০ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন তিনি। তবে মাত্র ৯টি নাটকে কাজ করে ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করে আলফা আই।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহরিয়ার শাকিলের চুক্তিমতে অপূর্বকে প্রতি মাসে তিন দিন সময় দিয়ে নাটকগুলোর শুটিং শেষ করে দেওয়ার কথা। গত বছর অক্টোবরে নাটকগুলোর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাকি নাটকগুলো শেষ না করেই তিনি ভঙ্গ করেন আলফা আইয়ের চুক্তি।
এ ঘটনায় অভিনেতা অপূর্ব আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তার জন্য মানহানিকর। আমি দীর্ঘদিনের সুপরিচিত একজন অভিনয়শিল্পী। অর্থ আত্মসাতের মতো নোংরা মিথ্যা অভিযোগে আমার মতো একজন শিল্পীকে জড়ানো হচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।
তবে প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল জানান, অপূর্বর সঙ্গে তাদের পথচলা দেড় যুগের বেশি সময় ধরে। সেই সম্পর্কের জেরে ২০২২ সালে তারা একসঙ্গে ২৪টি নাটকের শুটিংয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ২৪টি নাটকে শুটিংয়ের বিপরীতে ৯টির শুটিং করে অগ্রিম ২৫ লাখ ও পরে ৯ লাখসহ অপূর্ব ৩৩ লাখ টাকা নেন। পরে আরো ১০ মাস সময় অতিবাহিত হলেও তিনি আর শিডিউল দেননি প্রযোজককে।
এ ঘটনায় শেষপর্যন্ত অপূর্ব বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কারণ বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় চলে গেছে এবং আমার সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘ বিষয়টি দেখছে। পাশাপাশি টেলিভিশন অ্যান্ড ডিজিটাল প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (টেলিপাব) বিষয়টি নিয়ে অবগত। তারা যা বলার বলবেন।
অভিনেতা অপূর্বর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাৎ ও শিডিউল ফাঁসানোর অভিযোগ এনেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই স্টুডিওস লিমিটেড (আলফা আই)।
প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৪টি নাটকের জন্য ৫০ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন তিনি। তবে মাত্র ৯টি নাটকে কাজ করে ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করে আলফা আই।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহরিয়ার শাকিলের চুক্তিমতে অপূর্বকে প্রতি মাসে তিন দিন সময় দিয়ে নাটকগুলোর শুটিং শেষ করে দেওয়ার কথা। গত বছর অক্টোবরে নাটকগুলোর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাকি নাটকগুলো শেষ না করেই তিনি ভঙ্গ করেন আলফা আইয়ের চুক্তি।
এ ঘটনায় অভিনেতা অপূর্ব আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তার জন্য মানহানিকর। আমি দীর্ঘদিনের সুপরিচিত একজন অভিনয়শিল্পী। অর্থ আত্মসাতের মতো নোংরা মিথ্যা অভিযোগে আমার মতো একজন শিল্পীকে জড়ানো হচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।
তবে প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল জানান, অপূর্বর সঙ্গে তাদের পথচলা দেড় যুগের বেশি সময় ধরে। সেই সম্পর্কের জেরে ২০২২ সালে তারা একসঙ্গে ২৪টি নাটকের শুটিংয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ২৪টি নাটকে শুটিংয়ের বিপরীতে ৯টির শুটিং করে অগ্রিম ২৫ লাখ ও পরে ৯ লাখসহ অপূর্ব ৩৩ লাখ টাকা নেন। পরে আরো ১০ মাস সময় অতিবাহিত হলেও তিনি আর শিডিউল দেননি প্রযোজককে।
এ ঘটনায় শেষপর্যন্ত অপূর্ব বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কারণ বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় চলে গেছে এবং আমার সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘ বিষয়টি দেখছে। পাশাপাশি টেলিভিশন অ্যান্ড ডিজিটাল প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (টেলিপাব) বিষয়টি নিয়ে অবগত। তারা যা বলার বলবেন।
সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান
প্রকাশক সৈয়দ মনিরুজ্জামান ফয়সাল |
হেড অফিসঃ
বাসা নং- ২৪, রোড নং-০৪, ব্লক নং-এইচ
বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯ |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:34 pm